Ticker

6/recent/ticker-posts

Ad Code

Responsive Advertisement

বাংলাদেশ সীমান্তে অ্যান্টি-ড্রোন ইউনিট মোতায়েন করছে ভারত, পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে অ্যান্টি-ড্রোন ইউনিট প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেইসঙ্গে পাকিস্তান সীমান্তেও একই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।



ভারতীয় সীমান্তে ড্রোনের মাধ্যমে আসা ক্রমবর্ধমান হুমকির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ নিয়ে, ভারত অ্যান্টি-ড্রোন ইউনিট দ্বারা সীমান্ত সুরক্ষিত করার পরিকল্পনা করছে। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ উভয় সীমান্তে ড্রোনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলার জন্য এই ইউনিটগুলো স্থাপন করা হবে। ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিএসএফ-এর ৬০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ড্রোনের ঝুঁকি এবং ভারতের প্রতিক্রিয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

এই পরিস্থিতিতে, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা এখন দেখার বিষয়।


অমিত শাহ জানিয়েছেন, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ সীমানায় ‘সংবেদনশীল এলাকাগুলো পর্যবেক্ষণ’ করার লক্ষ্যে ভারত ব্যাপকভাবে সমন্বিত ব্যবস্থাপনা কার্যকর করবে। মানববিহীন আকাশযানের মাধ্যমে উদ্ভূত হুমকির বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানাতে দেশটি বিস্তৃত অ্যান্টি-ড্রোন ইউনিট প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তিনি জানান, ‘লেজার-সজ্জিত অ্যান্টি-ড্রোন গান-মাউন্টেড’ ম্যাকানিজমের প্রাথমিক ফলাফল অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক। এর ফলে পাঞ্জাবের পাকিস্তান-ভারত সীমান্তে ড্রোন শনাক্তকরণ ও নিষ্ক্রিয়করণের কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

ভারতের একটি সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালে প্রায় ১১০টির তুলনায় এই বছরে ২৬০টিরও বেশি ড্রোন পাকিস্তানের কাছে ভারতের সীমান্ত থেকে ভূপাতিত বা উদ্ধার করা হয়েছে। এসব ড্রোন আটকানোর ঘটনার বেশিরভাগই পাঞ্জাব অঞ্চলে ঘটেছে, যদিও রাজস্থান এবং জম্মুতে এই সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম।

পাকিস্তানের সাথে ভারতের ২,২৮৯ কিলোমিটার এবং বাংলাদেশের সাথে ৪,০৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। বিএসএফের অনুষ্ঠানে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্ত সুরক্ষার জন্য চলমান কম্প্রিহেনসিভ ইন্টিগ্রেটেড বর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিআইবিএমএস) নিয়ে কথা বলেছেন।

তিনি উল্লেখ করেন যে, এই প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে। শাহ বলেন, “আসামের ধুবরি (ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্ত) নদী এলাকার জন্য মোতায়েন করা সিআইবিএমএস থেকে আমরা উৎসাহজনক ফলাফল পেয়েছি, তবে এখানে আরও কিছু উন্নতি করা প্রয়োজন।”

ভারতের একটি সরকারি বিবৃতিতে শাহের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, “আরও কিছু উন্নতির পর এই ব্যবস্থা পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সাথে সীমানা জুড়ে প্রয়োগ করা হবে।”

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ